এক থেকে একশো কথায় শুদ্ধ বানান সহ।

এক – ১ (প্রথম)
দুই – ২ (দ্বিতীয়)
তিন – ৩ (তৃতীয়)
চার – ৪ (চতুর্থ)
পাঁচ – ৫ (পঞ্চম)
ছয় – ৬ (ষষ্ঠ)
সাত – ৭ (সপ্তম)
আট- ৮ (অষ্টম)
নয়- ৯ (নবম)
দশ- ১০ (দশম)

এগারো – ১১ (একাদশ)
বারো – ১২ (দ্বাদশ)
তেরো- ১৩ (ত্রয়োদশ)
চোদ্দ- ১৪ (চতুর্দশ)
পনেরো- ১৫ (পঞ্চদশ)
ষোল- ১৬ (ষোড়শ)
সতেরো- ১৭ (সপ্তদশ)
আঠারো- ১৮ (অষ্টাদশ)
উনিশ- ১৯ (ঊনবিংশ)
কুড়ি- ২০ (বিংশ)

একুশ- ২১ (একবিংশ)
বাইশ- ২২ (দ্বাবিংশ)
তেইশ- ২৩ (ত্রয়োবিংশ)
চব্বিশ- ২৪ (চতুর্বিংশ)
পঁচিশ – ২৫ (পঞ্চবিংশ)
ছাব্বিশ – ২৬ (ষট্বিংশ)
সাতাশ – ২৭ (সপ্তবিংশ)
আটাশ – ২৮ (অষ্টাবিংশ)
ঊনত্রিশ – ২৯ (ঊনত্রিংশ)
ত্রিশ – ৩০ (ত্রিংশ)

একত্রিশ – ৩১ (একত্রিংশ)
বত্রিশ – ৩২ (দ্বাত্রিংশ)
তেত্রিশ – ৩৩ (ত্রয়োত্রিংশ)
চৌত্রিশ – ৩৪ (চতুর্ত্রিংশ)
পঁয়ত্রিশ – ৩৫ (পঞ্চত্রিংশ)
ছত্রিশ -৩৬ (ষট্ত্রিংশ)
সাঁইত্রিশ – ৩৭ (সপ্তত্রিংশ)
আটত্রিশ – ৩৮ (অষ্টাত্রিংশ)
ঊনচল্লিশ – ৩৯ (ঊনচত্বারিংশ)
চল্লিশ -৪০ (চত্বারিংশ)

একচল্লিশ – ৪১ (একচত্বারিংশ)
বিয়াল্লিশ – ৪২ (দ্বিচত্বারিংশ)
তেতাল্লিশ -৪৩ (ত্রয়শ্চত্বারিংশ)
চুয়াল্লিশ -৪৪ (চতুঃচত্বারিংশ)
পঁয়তাল্লিশ -৪৫ (পঞ্চচত্বারিংশ)
ছেচল্লিশ – ৪৬ (ষট্চত্বারিংশ)
সাতচল্লিশ – ৪৭ (সপ্তচত্বারিংশ)
আটচল্লিশ – ৪৮ (অষ্টচত্বারিংশ)
ঊনপঞ্চাশ – ৪৯ (ঊনপঞ্চাশৎ)
পঞ্চাশ – ৫০ (পঞ্চাশৎ)

একান্ন – ৫১ (একপঞ্চাশৎ)
বাহান্ন – ৫২ (দ্বিপঞ্চাশৎ)
তিপ্পান্ন – ৫৩ ত্রিপঞ্চাশৎ
চুয়ান্ন – ৫৪ (চতুঃপঞ্চাশৎ)
পঞ্চান্ন – ৫৫ (পঞ্চপঞ্চাশৎ)
ছাপ্পান্ন – ৫৬ ষট্পঞ্চাশৎ
সাতান্ন – ৫৭ (সপ্তপঞ্চাশৎ)
আটান্ন- ৫৮ (অষ্টপঞ্চাশৎ)
ঊনষাট – ৫৯ (ঊনষষ্টি)
ষাট – ৬০ (ষষ্টি)

একষট্টি – ৬১ (একষষ্টি)
বাষট্টি – ৬২ (দ্বিষ্টি)
তেষট্টি- ৬৩ (ত্রিষষ্টি)
চৌষট্টি – ৬৪ (চতুঃষষ্টি)
পঁয়ষট্টি – ৬৫ (পঞ্চষষ্টি)
ছেষট্টি – ৬৬ (ষট্ষষ্টি)
সাতষট্টি- ৬৭ (সপ্তষষ্টি)
আটষট্টি – ৬৮ (অষ্টষষ্টি)
ঊনসত্তর- ৬৯ (ঊনসপ্ততি)
সত্তর – ৭০ (সপ্ততি)

একাত্তর -৭১ (একসপ্ততি)
বাহাত্তর -৭২ (দ্বিসপ্ততি)
তিয়াত্তর -৭৩ (ত্রিসপ্ততি)
চুয়াত্তর – ৭৪ (চতুঃসপ্ততি )
পঁচাত্তর -৭৫ (পঞ্চসপ্ততি)
ছিয়াত্তর -৭৬ (ষট্সপ্ততি)
সাতাত্তর -৭৭ (সপ্তসপ্ততি)
আটাত্তর -৭৮ (অষ্টসপ্ততি)
ঊনআশি -৭৯ (ঊনাশীতি)
আশি -৮০ (অশীতি)

একাশি -৮১ (একাশীতি)
বিরাশি -৮২ (দ্ব্যশীতি)
তিরাশি -৮৩ (ত্র্যশীতি)
চুরাশি -৮৪ ( চতুরশীতি )
পঁচাশি -৮৫ (পঞ্চাশীতি)
ছিয়াশি -৮৬ (ষড়শীতি)
সাতাশি -৮৭ (সপ্তাশীতি)
অষ্টআশি -৮৮ (অষ্টাশীতি)
ঊননব্বই -৮৯ (ঊননবতি)
নব্বই -৯০ (নবতি)

একানব্বই -৯১ (একনবতি)
বিরানব্বই -৯২ (দ্বিনবতি)
তিরানব্বই -৯৩ (ত্রিনবতি)
চুরানব্বই -৯৪ (চতুর্নবতি)
পঁচানব্বই -৯৫ (পঞ্চনবতি)
ছিয়ানব্বই -৯৬ (ষন্নবতি)
সাতানব্বই -৯৭ (সপ্তনবতি)
আটানব্বই -৯৮ (অষ্টনবতি)
নিরানব্বই -৯৯ (নবনবতি)
একশ -১০০ (একশত)

সংখ্যা কাকে বলে?

  • সংখ্যা হলো পরিমাপের একটি বিমূর্ত ধারণা
  • সংখ্যা প্রকাশের প্রতীকগুলিকে বলা হয় অঙ্ক
  • এর প্রকৃত উদাহরণগুলি হল স্বাভাবিক সংখ্যা ১, ২, ৩, ৪ এবং আরও অনেক কিছু।

মূল শ্রেণীবিভাগ

  • স্বাভাবিক সংখ্যা
  • পূর্ণ সংখ্যা
  • মূলদ সংখ্যা
  • বাস্তব সংখ্যা
  • জটিল সংখ্যা

বাইনারি ব্যবস্থা
বাইনারি সংখ্যা ব্যবস্থায় শুধু দুইটি অঙ্ক, ০ ও ১ ব্যবহার করা হয়। যেমন, দশমিক ৬ সংখ্যাটি বাইনারিতে প্রকাশিত হবে ১১০ হিসাবে। প্রতিটি অবস্থানের গুরুত্ব (weight) ২ করে, অর্থাৎ ৬ = ১* ২২+১* ২১+১* ২০। এই সংখ্যা পদ্ধতির সুবিধা হল ইলেক্ট্রনিক বর্তনীতে খুব সহজেই বাইনারি সংখ্যার হিসাব করা যায়, ফলে কম্পিউটার ও ডিজিটাল বর্তনীতে এই সংখ্যা ব্যবস্থার ব্যাপক প্রচলন রয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published.